March 25, 2026, 5:38 am

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

নাইক্ষ্যংছড়িতে ‘সোর্স’ সন্দেহে একজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা

শামীম ইকবাল চৌধুরী ,নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান)থেকে::

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের লেবুতলী গ্রামে ‘সোর্স’ সন্দেহে মিজানুর রহমান (২৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে এক সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য।

নিহত মিজানুর ওই গ্রামের মৃত আবদুশ শুক্কুরের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক।

নিহতের ভাই মোহাম্মদ আলম জানান, বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে লেবুতলীর আলী আকবর বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবদুর রহিম হঠাৎ পেছন থেকে এসে তার ভাই মিজানুরকে দা দিয়ে কোপ দেন এবং পরে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। মারধরের সময় রহিম বলেন, “তুই আমাদের ৮টি অস্ত্র দেখিয়ে দিয়েছিস, তোকে বাঁচতে দেব না।”

চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন মিজানকে উদ্ধার করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে সামান্য জ্ঞান ফিরে আসলে মিজান হামলার বর্ণনা দেন।
পরে অধিক রক্তক্ষরণের কারনে কর্মরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার পাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।

আর এদিকে শুক্রবার (২৭ জুন) ভোরে আহত মিজান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় মারা যান।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, গত সপ্তাহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অভিযানে ৮টি অস্ত্র উদ্ধার হয়। মিজানুরকে সেই অভিযানের ‘সোর্স’ সন্দেহে হত্যা করা হয়েছে। তবে তারা জানান, অভিযানে সহায়তা করা ব্যক্তি আসলে মিজানুর নন, তিনি আনসার ভিডিপির সদস্য।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাশরুরুল হক সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। হত্যাকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর